স্বাধীনতার পর থেকে পাবনা–১ আসনে সাঁথিয়া উপজেলা ও বেড়া পৌরসভাসহ চারটি ইউনিয়ন ছিল। পাবনা–২ আসনে ছিল বেড়ার অন্য পাঁচটি ইউনিয়ন ও সুজানগর। কিন্তু সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের তালিকা অনুযায়ী পাবনা–১ আসনে শুধু সাঁথিয়া এবং পাবনা–২ আসনে বেড়া ও সুজানগরকে একীভূত করা হয়েছে।
সাঁথিয়া উপজেলা সদর থেকে বেড়া সদরের দূরত্ব মাত্র আট কিলোমিটার, যেখানে সুজানগরের সঙ্গে দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার। ফলে সীমানা পুনর্বিন্যাসকে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন বেড়া বাসী। এ ছাড়া পাবনা–১ আসন হিসেবে তালিকা করা সাঁথিয়া উপজেলার মোট ভোটারের চেয়ে পাবনা–২ আসন হিসেবে তালিকা করা সুজানগর ও বেড়া উপজেলার মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ।
আজ রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পাবনা–১ ও পাবনা–২ আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাসের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় ঢাকা–পাবনা মহাসড়ক অবরোধ করায় শত শত যানবাহন আটকা পড়ে।
বেড়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে লোকজন বেড়া সিঅ্যান্ডবি বাসস্ট্যান্ডে জড়ো হন। তারা টায়ার জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে তাঁরা সীমানা পুনর্বিন্যাস বাতিলের দাবি জানান। তাঁদের দাবি, বেড়া উপজেলাকে পৃথকভাবে সুজানগর উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হলেও এই এলাকার মানুষ ব্যবসা–বাণিজ্য ও নানা কারণে সাঁথিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। বিক্ষোভ চলাকালে বেড়া বাজারের দোকানপাট ও যান চলাচল বন্ধ ছিল।
বেড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলিউর রহমান বলেন, সমাবেশ চলাকালে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল। শান্তিপূর্ণভাবেই সমাবেশ শেষ হয়েছে।