৬০ নং খলিশাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছেচানিয়া সাথিয়া, পাবনা পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষা অফিসারদেখতে পান বিদ্যালয়ে নেই কোন শিক্ষার্থী। ছাত্রদের হাজিরা খাতায় দেখা যায় গত ০৪ দিন ছাত্রদের নামই হাজিরা করা হয় নি। ১১জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও ২জন ছুটিতে আর ০২জন শিক্ষক সকালে থাকলেও পরিদর্শনে গিয়ে তাদের পাওয়া যায় নি। শিক্ষকেরা অধিকাংশই সাংসারিক ও পারিবারিক প্রয়োজনে ছুটিতে থাকেন।
স্থানীয় তরিকুর রহমান তারেক বলেন শিক্ষকরা নিজ এলাকার স্কুলে যোগদান করতে পারবে না এরকম নিয়ম করা দরকার। নিজ এলাকার স্কুল যোগদান করলে সাংসারিক ও পারিবারিক কাজ নিয়ে বেশি মনোযোগ থাকে।
মোহাম্মদ স্বপনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন
অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, এমনই অবস্থা, এঁদের লজ্জা নেই, প্রত্যেকটি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও, নেই কোন শিক্ষার আলো।স্কুলে কোন মত চেহারা দেখিয়ে যার যার ব্যক্তিগত কাজে চলে যান। আবার অনেক কেই প্রতিদিন দেখা যায়, উপজেলার আশপাশের চায়ের দোকানে। তাদের প্রতিদিন এমন কি কাজ থাকে উপজেলায়। যারা ফাঁকি বাজি করে চলছে,তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিজু তামান্না স্যারের কাছে বিনীত অনুরোধ রইল।
তিনি আরো বলেন
স্কুলের সভাপতিদের জবাবদিহিতার আওয়তায় নিয়ে আসা দরকার।
আব্দুর রহমান নামের একজন অভিভাবক বলেন, আসলে বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলছিল বুধবারের দিন পরীক্ষা শেষ হয়ে যায়। পরীক্ষাটা যদি বৃহস্পতিবারে শেষ হতো তাহলে ছাত্র-ছাত্রীর এই সমস্যা দেখা যেত না। সাধারণত পরীক্ষা শেষ হলে পরের দিন কোন ছাত্র-ছাত্রী স্কুলে আসে না।
সবুর রানা নামের অন্য আরেকজন অভিভাবক বলেন,যেমন হেড মাষ্টার তেমন তার স্কুল, ফাঁকিবাজ হেড মাষ্টার হলে যা হয় আর কি?