উৎসব ভাতা হিসেবে ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) ভাতাসহ সরকার বাহাদুর সমীপে গুরুত্বপূর্ণ দাবি পেশ করলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব উপাধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি আবুল কাশেম মোহাম্মদ ফজলুল হক।তিনি আজ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি সভায় ঈদে মিলাদুন্নবী ২০২৫ উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্য প্রদান করতে গিয়ে তিনি সরকারের নিকট কয়েকটি দাবি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন
যেই নবীর আগমনের কারণে আমরা আমাদের সকল রহমত আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে লাভ করেছি সেই নবীর শুভ আগমন শুধু মানবজাতির জন্য নয় কুল কায়নাতের জন্যই আনন্দের । আমরা সে কারণে এই রবিউল আউয়াল মাসকে স্বাগত জানানোর জন্য আজকে আমার সাংবাদিক বন্ধুদের মাধ্যমে সরকারের নিকট কয়েকটা আরজি জানাতে চাই।
এক নাম্বার
আজকে থেকে শুরু করে রাসূলে আকরামের
আগমন উপলক্ষে যত প্রোগ্রাম হবে, জশনে জুলুস ঈদে মিলাদুন্নবীর যত প্রোগ্রাম হবে, আলোচনা হবে, রাজধানীসহ বাংলাদেশে আনাচে-কানাচে যত প্রোগ্রাম হবে, যত অনুষ্ঠান হবে সকল অনুষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে, নিরাপত্তা দিয়ে নিরবিক্ষ্ণভাবে উদযাপন করার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। তিনি আরোও বলেন, আমরা স্মরণ করে দিতে চাই গত বছর ঈদে মিলাদুন্নবী প্রোগ্রামে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কিশোরগঞ্জে সহ বিভিন্ন জায়গায় মিলাদুন্নবী বিরোধী নবীর দুশমনেরা হামলা করেছিল। এবছর এই ইনটেরিম গভমেন্টের কাছে আমাদের দাবি; মিলাদুন্নবী প্রোগ্রামে যাতে কোন প্রকারের, কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা না হয়, আক্রমণ করা না হয়। এটা শুধু জাতীয় প্রোগ্রাম নয় এটা একটা আন্তর্জাতিক প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রাম নিয়ে কারো কোন মতানৈক্য থাকতে পারে না। সুতরাং সরকারের কাছে আমরা আবেদন জানাতে চাই সকল জুলুস, সকল মিলাদুন্নবী প্রোগ্রাম নিরাপত্তা দিয়ে, নির্বিঘ্নে, সুন্দরভাবে, সুশৃংখল ভাবে যাতে উদযাপিত হয় সেই ব্যবস্থা করতে হবে।
সরকারের কাছে দ্বিতীয় দাবী হিসেবে তিনি বলেন, যারা সরকারি বেসরকারি চাকরি করেন, তারা একটা ঈদুল ফিতর ও ঈদ উল আযহা এবং বৈশাখী ভাতা হিসেবে উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন। তিনি বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠান থেকে আমরা সরকারের কাছে জানাতে চাই। দাবি রাখতে চাই ওই তিনটা উৎসব ভাতার সাথে, ঈদে মিলাদুন্নবীর দিনে ঈদে মিলাদুন্নবী উৎসব ভাতা হিসেবে আরও একটা উৎসব ভাতা প্রদান করতে হবে। ঈদে মিলাদুন্নবী যেহেতু ইসলাম এবং মুসলমানদের সবচাইতে বড় অনুষ্ঠান সে কারণে উৎসব ভাতা এই দিনে দেওয়ার বেশি দাবি রাখে।