অবশেষে জয়ে ফিরলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে ৮৩ রানের হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে তারা।
ওয়ানডে সিরিজের বাজে হারের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজের শুরুতেও মুখ থুবড়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। ব্যাটিং এবং বোলিং—কোনো বিভাগেই ভালো করতে পারছিলো না লিটন বাহিনি , যা হতাশ করছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের।
আজ রোববার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না টাইগারদের কাছে। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে বাংলাদেশের একাদশে তিনটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে লাল সবুজের দল।
পেসার তাসকিন আহমেদ ও তানজিম হাসান সাকিবের পরিবর্তে দলে এসেছেন অভিজ্ঞ পেসার মুস্তাফিজুর রহমান এবং শরিফুল ইসলাম। এছাড়া, টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান নাঈম শেখের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান জাকের আলি অনিক।
ডাম্বুলায় সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। কিন্তু অধিনায়ক লিটন দাস ও শামীম হোসেন পাটোয়ারীর দৃঢ়তায় ঘুরে দাঁড়িয়ে শ্রীলঙ্কাকে ১৭৮ রানের লড়াকু লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় টাইগাররা। এই রান করতে তাদের ৭ উইকেট হারাতে হয়।
রান খরায় ভোগা লিটন আজ ব্যাট হাতে ঝলক দেখিয়েছেন। ৩৯ বলে ফিফটি তুলে নিয়েছেন, যা ১৩ ইনিংস পর টি-টোয়েন্টিতে তার প্রথম ফিফটি। শেষ পর্যন্ত তিনি ৭৬ রান করেন। লিটনকে দারুণ সঙ্গ দেয়া তাওহীদ হৃদয় ২৫ বলে ৩১ রান করে ৬৯ রানের জুটি গড়েন। শামীম হোসেন পাটোয়ারী ৪৮ রানের ইনিংস খেলে দলের স্কোর বাড়াতে সাহায্য করেন।
পুরো ম্যাচজুড়েই দাপট ছিল বাংলাদেশের। ১৭৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামা শ্রীলঙ্কাকে শুরুতেই চেপে ধরেন শরিফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ২৫ রানেই ৪ উইকেট হারানোর পর নিশাঙ্কা ও শানাকার ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানো আশা দেখছিল শ্রীলঙ্কা।
তবে এক ওভারে দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচ পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন রিশাদ। ততক্ষণে বাড়ি ফিরতে শুরু করেন ডাম্বুলার দর্শকরা। জয় পেতে খুব বেশি সময় লাগেনি বাংলাদেশের। ৯৪ রানে অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। রিশাদ ৩, শরিফুল ইসলাম ও সাইফউদ্দিন পান দুটি করে উইকেট।